পূর্ণ পাঠ · প্রধান ধারাসমূহ
বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কিছু না থাকিলে, এই আইনে-
(ক) নিম্নবর্ণিত দ্রব্য, বনে পাওয়া যাক বা বন হইতে আনা হউক বা না হউক, যথা: কাঠ, কয়লা, রাবার, কাঠকচু, কাঠ তেল, রজন, প্রাকৃতিক বার্নিশ, বাকল, লাক্ষা, মাহুয়া ফুল, মাহুয়া বীজ, কুঠ ও হরিতকি; এবং
(খ) নিম্নবর্ণিত দ্রব্য, যখন বনে পাওয়া যায় বা বন হইতে আনা হয়, যথা:
(i) গাছ ও পাতা, ফুল ও ফল, এবং উর্ধ্বে উল্লেখিত নহে এমন গাছের অন্যান্য অংশ বা উৎপাদিত দ্রব্য,
(ii) গাছ নয় এমন উদ্ভিদ (ঘাস, লতাগুল্ম, নলখাগড়া ও শৈবাল সহ), এবং এইরূপ উদ্ভিদের সকল অংশ বা উৎপাদিত দ্রব্য,
(iii) বন্য প্রাণী ও চামড়া, দাঁত, শিং, হাড়, রেশম, কোকুন, মধু ও মোম, এবং প্রাণীর অন্যান্য অংশ বা উৎপাদিত দ্রব্য, এবং
(iv) পিট, উপরিভাগের মাটি, শিলা ও খনিজ দ্রব্য (চুনাপাথর, ল্যাটেরাইট, খনিজ তেল এবং খনি বা প্রস্তর খনির সকল উৎপাদিত দ্রব্য সহ);
সরকার নিম্নবর্ণিত পদ্ধতিতে কোন বনভূমি বা অনাবাদি জমি বা বনায়নের উপযোগী কোন জমি, যাহা সরকারের সম্পত্তি, বা যাহার উপর সরকারের মালিকানা স্বত্ব আছে, বা যাহার সম্পূর্ণ বা অংশবিশেষের বনজ দ্রব্যের প্রাপ্য সরকার, তাহা সংরক্ষিত বনরূপে গঠন করিতে পারিবে।
(ক) উক্ত জমি সংরক্ষিত বনরূপে গঠনের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করিয়া;
(খ) উক্ত জমির অবস্থান ও সীমানা যথাসম্ভব উল্লেখ করিয়া; এবং
(গ) এই অধ্যায়ে বর্ণিত হিসাবে কোন ব্যক্তির স্বার্থে উক্ত সীমার মধ্যে বা উহার উপর বা কোন বনজ দ্রব্যের উপর বা উহার মধ্যে কোন অধিকার বিদ্যমান থাকার দাবি অনুসন্ধান ও নির্ধারণ এবং তাহা নিষ্পত্তি করিবার জন্য একজন কর্মকর্তা (এখানে "বন নিষ্পত্তি কর্মকর্তা" বলিয়া উল্লেখিত) নিযুক্ত করিয়া।
ব্যাখ্যা-খ-দফার উদ্দেশ্যে, বনের সীমানা সড়ক, নদী, পর্বতশ্রেণী বা অন্যান্য সুপরিচিত বা সহজবোধ্য সীমানা দ্বারা বর্ণনা করাই যথেষ্ট হইবে।
ধারা ৪ এর অধীন প্রজ্ঞাপন জারীর পর, উক্ত প্রজ্ঞাপনের অন্তর্ভুক্ত জমিতে বা উহার উপর উত্তরাধিকার ব্যতীত বা সরকার বা প্রজ্ঞাপন জারীর সময়ে যাহার নিকট এইরূপ অধিকার ন্যস্ত ছিল এমন কোন ব্যক্তির পক্ষে বা তাহার পক্ষে কৃত লিখিত দান বা চুক্তি ব্যতীত কোন অধিকার অর্জিত হইবে না; এবং উক্ত জমিতে চাষ বা অন্য কোন উদ্দেশ্যে নব আবাদ করা যাইবে না, তবে সরকার এ ব্যাপারে যে বিধি প্রণয়ন করিতে পারে, সেই বিধি অনুসারে করা যাইবে।
ধারা ৪ এর অধীন প্রজ্ঞাপন জারীর পর, বন নিষ্পত্তি কর্মকর্তা উক্ত প্রজ্ঞাপনের অন্তর্ভুক্ত জমির নিকটবর্তী প্রতিটি শহর ও গ্রামে বাংলায় একটি বিজ্ঞপ্তি প্রচার করিবেন-
(ক) প্রস্তাবিত বনের অবস্থান ও সীমানা যথাসম্ভব উল্লেখ করিয়া;
(খ) নিম্নে বর্ণিত হিসাবে এইরূপ বন সংরক্ষণের ফলে কী পরিণতি ঘটিবে তাহা ব্যাখ্যা করিয়া; এবং
(গ) এইরূপ প্রচারের তারিখ হইতে অনধিক তিন মাস ও সর্বোচ্চ চার মাসের একটি সময়সীমা নির্ধারণ করিয়া, এবং ধারা ৪ বা ধারা ৫ এ উল্লিখিত কোন অধিকার দাবি করে এমন প্রত্যেক ব্যক্তিকে উক্ত সময়সীমার মধ্যে বন নিষ্পত্তি কর্মকর্তার নিকট লিখিত নোটিশ প্রদান বা তাহার সম্মুখে উপস্থিত হইয়া উক্ত অধিকারের প্রকৃতি ও উহার জন্য দাবিকৃত ক্ষতিপূরণের (যদি থাকে) বিবরণ উল্লেখ করিতে বলা।
বন নিষ্পত্তি কর্মকর্তা ধারা ৬ এর অধীন কৃত সকল বিবৃতি লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করিবেন, এবং কোন সুবিধাজনক স্থানে উক্ত ধারার অধীন যথাযথভাবে দাখিলকৃত সকল দাবি এবং সরকারের রেকর্ড ও উহা সম্পর্কে অবগত থাকিতে পারে এইরূপ ব্যক্তিদের সাক্ষ্য দ্বারা যতদূর নির্ণয় করা সম্ভব, ধারা ৪ বা ধারা ৫ এ উল্লিখিত এবং ধারা ৬ এর অধীন দাবিকৃত নয় এমন কোন অধিকারের অস্তিত্ব অনুসন্ধান করিবেন।
এইরূপ অনুসন্ধানের উদ্দেশ্যে, বন নিষ্পত্তি কর্মকর্তা নিম্নবর্ণিত ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবেন, যথা:-
(ক) নিজে বা এ উদ্দেশ্যে তাহার দ্বারা অনুমোদিত কোন কর্মকর্তার মাধ্যমে কোন জমিতে প্রবেশ, এবং উহা জরিপ, সীমানা নির্ধারণ ও মানচিত্র প্রস্তুত করার ক্ষমতা; এবং
(খ) মোকদ্দমার বিচারে দেওয়ানি আদালতের ক্ষমতা।
ধারা ৬ এর অধীন যেসব অধিকারের দাবি পেশ করা হয় নাই এবং ধারা ৭ এর অধীন অনুসন্ধানে যেসব অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা যায় নাই, সেই অধিকারগুলি বিলুপ্ত হইবে, যদি না, ধারা ২০ এর অধীন প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পূর্বে, উহা দাবি করে এমন ব্যক্তি বন নিষ্পত্তি কর্মকর্তাকে সন্তুষ্ট করে যে, ধারা ৬ এর অধীন নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে এইরূপ দাবি না করিবার তার যথেষ্ট কারণ ছিল।
(ক) নিষ্পত্তির অধীন জমির সীমানা পরিবর্তন করিয়া, দাবিদারদের উদ্দেশ্যে যথেষ্ট পরিমাণ, উপযুক্ত ধরনের এবং যুক্তিসঙ্গতভাবে সুবিধাজনক স্থানের জমি বাদ দিয়া; বা
(খ) নিষ্পত্তির অধীন জমির কিছু অংশ আলাদাভাবে সীমানা নির্ধারণ করাইয়া, এবং দাবিদারদেরকে তিনি যে শর্তাদি নির্ধারণ করিতে পারেন সেই শর্তে উক্ত অংশে উদ্বর্তন চাষের অনুমতি প্রদান করিয়া।
(i) প্রস্তাবিত বনের সীমা হইতে এইরূপ জমি বাদ দিবেন; বা
(ii) উহার মালিকের সহিত তাহার অধিকার সমর্পণের জন্য একটি চুক্তিতে উপনীত হইবেন; বা
(iii) স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও রিকুইজিশন অধ্যাদেশ, ১৯৮২ (১৯৮২ সনের ২ নং অধ্যাদেশ) এ প্রদত্ত পদ্ধতিতে উক্ত জমি অধিগ্রহণে অগ্রসর হইবেন।
(ক) বন নিষ্পত্তি কর্মকর্তা উক্ত অধ্যাদেশের অধীন কার্যরত কালেক্টর বলিয়া গণ্য হইবেন;
(খ) দাবিদার উক্ত অধ্যাদেশের ধারা ৯ এর অধীন নোটিশের প্রেক্ষিতে তাহার সম্মুখে উপস্থিত স্বার্থসম্পর্কিত ব্যক্তি বলিয়া গণ্য হইবেন;
(গ) উক্ত অধ্যাদেশের পূর্ববর্তী ধারাগুলির বিধানাবলী অনুসৃত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে; এবং
(ঘ) কালেক্টর, দাবিদারের সম্মতিক্রমে, বা আদালত, উভয় পক্ষের সম্মতিক্রমে, জমিতে বা আংশিক জমিতে ও আংশিক অর্থে বা সম্পূর্ণ অর্থে ক্ষতিপূরণ প্রদান করিতে পারেন।
চারণের অধিকার বা বনজ দ্রব্যের অধিকারের দাবির ক্ষেত্রে, বন নিষ্পত্তি কর্মকর্তা উহা সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে মঞ্জুর বা প্রত্যাখ্যান করিয়া আদেশ দিবেন।
বন নিষ্পত্তি কর্মকর্তা, ধারা ১২ এর অধীন কোন আদেশ প্রদানের সময়, যথাসম্ভব নিম্নবর্ণিত বিষয় লিপিবদ্ধ করিবেন-
(ক) অধিকার দাবি করে এমন ব্যক্তির নাম, পিতার নাম, জাতি, ঠিকানা ও পেশা; এবং
(খ) যেসব ক্ষেত্র বা ক্ষেত্রসমূহের (যদি থাকে) নামকরণ, অবস্থান ও আয়তন, এবং যেসব ভবনের (যদি থাকে) নামকরণ ও অবস্থান, যেগুলির সম্পর্কে এইরূপ অধিকার প্রয়োগের দাবি করা হয়।
যদি বন নিষ্পত্তি কর্মকর্তা ধারা ১২ এর অধীন কোন দাবি সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে মঞ্জুর করেন, তাহা হইলে তিনি দাবি যতটুকু মঞ্জুর করা হইল তাহার সীমা লিপিবদ্ধ করিবেন, এবং দাবিদার সময় সময় বনে কতগুলি ও কী ধরনের গবাদি পশু চারণ করিতে অধিকারী, কোন মৌসুমে এইরূপ চারণ অনুমোদিত, তিনি সময় সময় কত পরিমাণ কাঠ ও অন্যান্য বনজ দ্রব্য গ্রহণ বা সংগ্রহ করিতে অধিকারী এবং মামলার প্রয়োজনে অন্যান্য বিবরণ উল্লেখ করিবেন। তিনি দাবিকৃত অধিকার প্রয়োগে প্রাপ্ত কাঠ বা অন্যান্য বনজ দ্রব্য বিক্রয় বা বিনিময় করা যাইবে কিনা তাহাও লিপিবদ্ধ করিবেন।
(ক) যথেষ্ট পরিমাণ ও যুক্তিসঙ্গতভাবে সুবিধাজনক স্থানে অন্য কিছু বনভূমি নির্ধারণ করিয়া দিতে পারেন এবং এইরূপ দাবিদারদের স্বীকৃত সীমা পর্যন্ত চারণ বা বনজ দ্রব্যের অধিকার প্রদান করিয়া আদেশ রেকর্ড করিতে পারেন; বা
(খ) প্রস্তাবিত বনের সীমানা এমনভাবে পরিবর্তন করিতে পারেন যাহাতে দাবিদারদের উদ্দেশ্যে যথেষ্ট পরিমাণ ও যুক্তিসঙ্গতভাবে সুবিধাজনক স্থানের বনভূমি বাদ যায়; বা
(গ) সরকার এ ব্যাপারে যে বিধি প্রণয়ন করতে পারে সেই অনুযায়ী, এইরূপ দাবিদারদের স্বীকৃত সীমা পর্যন্ত চারণ বা বনজ দ্রব্যের অধিকার, নির্দিষ্ট মৌসুমে ও প্রস্তাবিত বনের নির্দিষ্ট অংশে অব্যাহত রাখিয়া আদেশ রেকর্ড করিতে পারেন।
যদি বন নিষ্পত্তি কর্মকর্তা সংরক্ষিত বনের রক্ষণাবেক্ষণের প্রতি যথাযথ দৃষ্টি রাখিয়া, ধারা ১৫ এর অধীন এইরূপ স্বীকৃত সীমা পর্যন্ত উক্ত অধিকারসমূহের অব্যাহত প্রয়োগ নিশ্চিত করিবে এমন বন্দোবস্ত করা অসম্ভব মনে করেন, তাহা হইলে তিনি সরকার এ ব্যাপারে যে বিধি প্রণয়ন করতে পারে সেই বিধি সাপেক্ষে, উক্ত ব্যক্তিগণকে উহার পরিবর্তে এককালীন অর্থ প্রদান করিয়া বা জমি দান করিয়া বা তাঁহার উপযুক্ত মনে করে অন্য কোন উপায়ে এইরূপ অধিকার রূপান্তর করিবেন।
(i) ধারা ৬ ও ৯ এর অধীন কৃত সকল দাবি নিষ্পত্তি করিবেন; বা
(ii) উপ-ধারা (২) এর অধীন এই ১২ মাসের সময়সীমার বর্ধিতাংশ প্রাপ্ত হবেন।
এই আইনের অধীন দাবি দাখিলকারী কোন ব্যক্তি, বা বন কর্মকর্তা বা সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন ব্যক্তি, বন নিষ্পত্তি কর্মকর্তার ধারা ১১, ১২, ১৫ বা ১৬ এর অধীন এইরূপ দাবির উপর প্রদত্ত আদেশের তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারের নিকট আপিল দায়ের করিতে পারেন।
(খ) বিভাগীয় কমিশনার ক্লজ (ক) এ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে না পারা মামলার বিবরণ সরকারের নিকট প্রতিবেদন করিবেন, এবং তখন সরকার প্রয়োজন মনে করলে সময় বর্ধিত করতে পারেন।
সরকার, বা এই আইনের অধীন দাবি দাখিলকারী কোন ব্যক্তি, বন নিষ্পত্তি কর্মকর্তা বা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মুখে কোন অনুসন্ধান বা আপিল চলাকালে তাহার পক্ষে উপস্থিত, ওকালতি ও কার্য করিবার জন্য কোন ব্যক্তি নিযুক্ত করিতে পারেন।
(ক) ধারা ৬ এর অধীন দাবি পেশের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা অতিবাহিত হইয়াছে, এবং উক্ত ধারা বা ধারা ৯ এর অধীন কৃত সকল দাবি, যদি থাকে, বন নিষ্পত্তি কর্মকর্তা কর্তৃক নিষ্পত্তি করা হইয়াছে;
(খ) যদি এইরূপ কোন দাবি করা হয়ে থাকে, তাহা হইলে এইরূপ দাবির উপর প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের জন্য ধারা ১৭ এ নির্ধারিত সময়সীমা অতিবাহিত হইয়াছে, এবং উক্ত সময়সীমার মধ্যে দাখিলকৃত সকল আপিল (যদি থাকে) বিভাগীয় কমিশনার কর্তৃক নিষ্পত্তি করা হইয়াছে; এবং
(গ) প্রস্তাবিত বনে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বন নিষ্পত্তি কর্মকর্তা ধারা ১১ এর অধীন স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও রিকুইজিশন অধ্যাদেশ, ১৯৮২ (১৯৮২ সনের ২ নং অধ্যাদেশ) এর অধীন অধিগ্রহণ করতে নির্বাচিত সকল জমি (যদি থাকে) উক্ত অধ্যাদেশের ধারা ১১ এর অধীন সরকারের নিকট ন্যস্ত হইয়াছে,
তখন সরকার সরকারী গেজেটে একটি প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করিবে, যাহাতে স্থাপিত সীমানা চিহ্ন অনুযায়ী বা অন্যথায় সংরক্ষণযোগ্য বনের সীমানা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করিবে এবং প্রজ্ঞাপন দ্বারা নির্ধারিত তারিখ হইতে উহা সংরক্ষিত ঘোষণা করিবে।
বন কর্মকর্তা এইরূপ প্রজ্ঞাপন দ্বারা নির্ধারিত তারিখের পূর্বে বনের নিকটবর্তী প্রতিটি শহর ও গ্রামে উহা প্রচার করিবেন।
সরকার, ধারা ২০ এর অধীন কোন প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পাঁচ বৎসরের মধ্যে, ধারা ১৫ বা ১৮ এর অধীন কৃত কোন ব্যবস্থা পুনর্বিবেচনা করিতে পারে, এবং এই উদ্দেশ্যে ধারা ১৫ বা ১৮ এর অধীন কৃত কোন আদেশ রহিত বা পরিবর্তন করিতে পারে, এবং ধারা ১৫ এ উল্লিখিত কোন পদ্ধতি অন্য পদ্ধতির পরিবর্তে গ্রহণ করার নির্দেশ দিতে পারে, অথবা ধারা ১২ এর অধীন স্বীকৃত অধিকারসমূহ ধারা ১৬ এর অধীন রূপান্তর করার নির্দেশ দিতে পারে।
সংরক্ষিত বনের উপর বা উহার মধ্যে উত্তরাধিকার ব্যতীত বা সরকার বা ধারা ২০ এর অধীন প্রজ্ঞাপন জারীর সময়ে যাহার নিকট এইরূপ অধিকার ন্যস্ত ছিল এমন কোন ব্যক্তির পক্ষে বা তাহার পক্ষে কৃত লিখিত দান বা চুক্তি ব্যতীত কোন প্রকারের অধিকার অর্জিত হইবে না।
বন কর্মকর্তা, সরকার বা সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তার পূর্বানুমোদনক্রমে, সংরক্ষিত বনের কোন সরকারি বা বেসরকারি রাস্তা বা জলপ্রবাহ বন্ধ করিতে পারেন, তবে শর্ত থাকে যে, এইরূপ বন্ধকৃত রাস্তা বা জলপ্রবাহের পরিবর্তে সরকার যাহা যুক্তিসঙ্গতভাবে সুবিধাজনক মনে করে এমন বিকল্প রাস্তা বা জলপ্রবাহ ইতিমধ্যে বিদ্যমান থাকে, বা বন কর্মকর্তা কর্তৃক উহার পরিবর্তে প্রদত্ত বা নির্মিত হয়।
(ক) বন কর্মকর্তা এ ব্যাপারে যে মৌসুম নির্ধারণ করিতে পারেন সেই মৌসুম ব্যতীত কোন আগুন জ্বালায়, রাখে বা বহন করে;
(খ) অবৈধভাবে প্রবেশ করে বা গবাদি পশু চারণ করে বা গবাদি পশুকে অবৈধভাবে প্রবেশের অনুমতি দেয়;
(গ) কোন গাছ কাটা বা কোন কাঠ কর্তন বা টানায় অবহেলার কারণে কোন ক্ষতি ঘটায়;
(ঘ) পাথর খনন করে, চুন বা কয়লা পোড়ায়, বা কাঠ ব্যতীত অন্য কোন বনজ দ্রব্য সংগ্রহ করে, কোন উৎপাদন প্রক্রিয়ার অধীন করে বা অপসারণ করে;
অথবা সংশ্লিষ্ট বন বিভাগীয় কর্মকর্তার পূর্বানুমতি ব্যতীত আগ্নেয়াস্ত্র সহ সংরক্ষিত বনে প্রবেশ করে,
তবে তিনি অনধিক ছয় মাস কারাদণ্ডে এবং অনধিক দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন, এবং দোষী সাব্যস্তকারী আদালত বনের ক্ষতির জন্য যে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দেবে তাহাও দিতে হবে।
(ক) ধারা ৫ দ্বারা নিষিদ্ধ কোন নব আবাদ করে; বা
(খ) সংরক্ষিত বন হইতে কোন কাঠ অপসারণ করে; বা
(গ) সংরক্ষিত বনে অগ্নিসংযোগ করে, বা সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে প্রণীত কোন বিধি লঙ্ঘন করিয়া কোন আগুন জ্বালায়, বা এইরূপ বন বিপন্ন করে এইরূপভাবে কোন আগুন জ্বলিতে রাখে;
অথবা সংরক্ষিত বনে-
(ঘ) কোন গাছ কাটে, বেষ্টনী কাটে, ডাল কাটে, পানে কাটে বা পোড়ায় বা উহার বাকল বা পাতা ছালায় বা অন্যথায় ক্ষতি করে;
(ঙ) চাষ বা অন্য কোন উদ্দেশ্যে কোন জমি পরিষ্কার বা ভাঙ্গে বা অন্য কোনভাবে চাষ করে বা চাষের চেষ্টা করে;
(চ) সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে প্রণীত কোন বিধি লঙ্ঘন করিয়া শিকার করে, গুলি করে, মাছ ধরে, পানিতে বিষ প্রয়োগ করে বা ফাঁদ বা ছাঁক বসায়; বা
(ছ) আইনগত কর্তৃত্ব ব্যতীত করাত গর্ত বা করাত বেঞ্চ স্থাপন করে বা গাছকে কাঠে রূপান্তর করে,
তবে তিনি অনধিক পাঁচ বছর এবং অন্যূন ছয় মাস কারাদণ্ডে এবং অনধিক পঞ্চাশ হাজার টাকা এবং অন্যূন পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন, এবং দোষী সাব্যস্তকারী আদালত বনের ক্ষতির জন্য যে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দেবে তাহাও দিতে হবে।
(i) চুক্তিতে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচীর জন্য একটি সম্মত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত বা উহার উল্লেখ প্রয়োজন;
(ii) বিনিয়োগকৃত শ্রমের বিনিময়ে অংশগ্রহণকারীদের ন্যায়সঙ্গত অংশ নিশ্চিত;
(iii) কাঠ আহরণের পূর্বাভাসযুক্ত চুক্তির ক্ষেত্রে, চুক্তির মেয়াদ প্রত্যাশিত প্রধান আহরণ অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন;
(iv) স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে চুক্তির অধীন সুবিধা ও বাধ্যবাধকতা হস্তান্তরের অনুমতি, এবং অংশগ্রহণকারীর মৃত্যুতে উত্তরাধিকার আইনে তাহার উত্তরাধিকারীর নিকট হস্তান্তর, এবং অন্যান্য হস্তান্তর নিয়ন্ত্রণ;
(v) নির্দিষ্ট কর্মসূচীতে অংশগ্রহণকারীদের প্রতিনিধিত্বকারী ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন ও ভাঙার অনুমতি, এবং চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য অংশগ্রহণকারীদের উপর জরিমানা আরোপের ক্ষমতা ব্যবস্থাপনা কমিটিকে প্রদান; এবং
(vi) ব্যক্তিদের সরকারের নিকট সামাজিক বনায়ন কর্মসূচী 'গ্রহণ' করার জন্য আবেদনের অনুমতি।
সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা-
(ক) সুরক্ষিত বনের কোন গাছ বা গাছের শ্রেণী প্রজ্ঞাপন দ্বারা নির্ধারিত তারিখ হইতে সংরক্ষিত ঘোষণা করিতে পারে;
(খ) এইরূপ বনের প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত কোন অংশ সরকার যুক্তিসঙ্গত মনে করে ত্রিশ বৎসরের অধিক নহে এইরূপ মেয়াদের জন্য বন্ধ ঘোষণা করিতে পারে, এবং উক্ত অংশের উপর ব্যক্তিগত ব্যক্তিদের অধিকার, যদি থাকে, উক্ত মেয়াদ পর্যন্ত স্থগিত থাকিবে, তবে শর্ত থাকে যে, এইরূপ বনের অবশিষ্ট অংশ বন্ধকৃত অংশে স্থগিত অধিকারগুলির যথাযথ প্রয়োগের জন্য যথেষ্ট এবং যুক্তিসঙ্গতভাবে সুবিধাজনক স্থানে হয়; বা
(গ) উক্তরূপ নির্ধারিত তারিখ হইতে এইরূপ বনে পাথর খনন, বা চুন বা কয়লা পোড়ানো, বা কোন বনজ দ্রব্য সংগ্রহ বা কোন উৎপাদন প্রক্রিয়ার অধীন করা বা অপসারণ, এবং এইরূপ বনের কোন জমি চাষ, ভবন নির্মাণ, গবাদি পশু চারণ বা অন্য কোন উদ্দেশ্যে ভাঙ্গন, পরিষ্কার বা ব্যবহার নিষিদ্ধ করিতে পারে।
কালেক্টর ধারা ৩০ এর অধীন জারীকৃত প্রতিটি প্রজ্ঞাপনের বাংলায় অনুবাদ প্রজ্ঞাপনের অন্তর্ভুক্ত বনের নিকটবর্তী প্রতিটি শহর ও গ্রামে সুস্পষ্ট স্থানে টাঙাইবার ব্যবস্থা করিবেন।
সরকার নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি নিয়ন্ত্রণের জন্য বিধি প্রণয়ন করিতে পারে, যথা:-
(ক) সুরক্ষিত বন হইতে গাছ ও কাঠ কর্তন, চেরাই, রূপান্তর ও অপসারণ, এবং বনজ দ্রব্য সংগ্রহ, উৎপাদন ও অপসারণ;
(খ) সুরক্ষিত বনের নিকটবর্তী শহর ও গ্রামের অধিবাসীদের নিজস্ব ব্যবহারের জন্য গাছ, কাঠ বা অন্যান্য বনজ দ্রব্য নেওয়ার জন্য লাইসেন্স প্রদান, এবং এইরূপ ব্যক্তিদের দ্বারা এইরূপ লাইসেন্স উত্পাদন ও ফেরত;
(গ) ব্যবসার উদ্দেশ্যে এইরূপ বন হইতে গাছ বা কাঠ বা অন্যান্য বনজ দ্রব্য কাটা বা অপসারণকারী ব্যক্তিদের লাইসেন্স প্রদান, এবং এইরূপ ব্যক্তিদের দ্বারা এইরূপ লাইসেন্স উত্পাদন ও ফেরত;
(ঘ) খ- ও গ-দফায় উল্লিখিত ব্যক্তিদের দ্বারা এইরূপ গাছ কাটার বা এইরূপ কাঠ বা অন্যান্য বনজ দ্রব্য সংগ্রহ ও অপসারণের অনুমতির জন্য প্রদেয় অর্থ, যদি থাকে;
(ঙ) এইরূপ গাছ, কাঠ ও দ্রব্য সম্পর্কে তাহাদের দ্বারা প্রদেয় অন্যান্য অর্থ, যদি থাকে, এবং উক্ত অর্থ প্রদানের স্থান;
(চ) এইরূপ বন হইতে বাহিরে যাওয়া বনজ দ্রব্য পরীক্ষা;
(ঘ) এইরূপ বনে চাষ বা অন্যান্য উদ্দেশ্যে জমি পরিষ্কার ও ভাঙ্গন;
(ঙ) এইরূপ বনে পতিত কাঠ এবং ধারা ৩০ এর অধীন সংরক্ষিত গাছের অগ্নি হতে সুরক্ষা;
(চ) এইরূপ বনে ঘাস কর্তন ও গবাদি পশু চারণ;
(ছ) এইরূপ বনে শিকার, গুলি, মাছ ধরা, পানিতে বিষ প্রয়োগ এবং ফাঁদ বা ছাঁক বসানো;
(জ) ধারা ৩০ এর অধীন বন্ধ কোন বনের অংশের সুরক্ষা ও ব্যবস্থাপনা; এবং
(ঝ) ধারা ২৯ এ উল্লিখিত অধিকার প্রয়োগ।
(ক) ধারা ৩০ এর অধীন কোন নিষেধাজ্ঞার পরিপন্থী হইয়া, কোন পাথর খনন করে, বা কোন চুন বা কয়লা পোড়ায়, বা কাঠ ব্যতীত অন্য কোন বনজ দ্রব্য সংগ্রহ করে, কোন উৎপাদন প্রক্রিয়ার অধীন করে বা অপসারণ করে;
(খ) কোন সুরক্ষিত বনের নিকটে নিজের দ্বারা জ্বালানো আগুন জ্বলিতে রাখে;
(গ) কোন গাছ কাটা বা কোন কাঠ কর্তন বা টানায় অবহেলার কারণে কোন ক্ষতি ঘটায়;
(ঘ) অবৈধভাবে প্রবেশ করে বা গবাদি পশু চারণ করে বা গবাদি পশুকে অবৈধভাবে প্রবেশের অনুমতি দেয়;
(ঙ) সংশ্লিষ্ট বন বিভাগীয় কর্মকর্তার পূর্বানুমতি ব্যতীত আগ্নেয়াস্ত্র সহ সুরক্ষিত বনে প্রবেশ করে;
(চ) ধারা ৩২ এর অধীন প্রণীত কোন বিধি লঙ্ঘন করে;
(ছ) সামাজিক বনায়ন কর্মসূচীর বিরুদ্ধে কোন অপরাধ বা ক্ষতি করে,
তবে তিনি অনধিক ছয় মাস কারাদণ্ডে এবং অনধিক দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন, এবং দোষী সাব্যস্তকারী আদালত বনের ক্ষতির জন্য যে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দেবে তাহাও দিতে হবে।
(ক) সুরক্ষিত বনে অগ্নিসংযোগ করে, বা সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে প্রণীত কোন বিধি লঙ্ঘন করিয়া কোন আগুন জ্বালায়, বা এইরূপ বন বিপন্ন করে এইরূপভাবে কোন আগুন জ্বলিতে রাখে;
(খ) ধারা ৩০ এর অধীন সংরক্ষিত কোন গাছ কাটে, বেষ্টনী কাটে, ডাল কাটে, পানে কাটে বা পোড়ায় বা উহার বাকল বা পাতা ছালায় বা অন্যথায় ক্ষতি করে;
(গ) ধারা ৩০ এর অধীন কোন নিষেধাজ্ঞার পরিপন্থী হইয়া, সুরক্ষিত বনে চাষ বা অন্য উদ্দেশ্যে কোন জমি পরিষ্কার বা ভাঙ্গে বা অন্য কোনভাবে চাষ করে বা চাষের চেষ্টা করে;
(ঘ) সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে প্রণীত কোন বিধি লঙ্ঘন করিয়া শিকার করে, গুলি করে, ফাঁদ বা ছাঁক বসায় বা কোন বন্য প্রাণী ও পাখি ধরে বা মারে, মাছ ধরে বা পানিতে বিষ প্রয়োগ করে;
(ঙ) আইনগত কর্তৃত্ব ব্যতীত করাত গর্ত বা করাত বেঞ্চ স্থাপন করে বা গাছকে কাঠে রূপান্তর করে,
তবে তিনি অনধিক পাঁচ বছর এবং অন্যূন ছয় মাস কারাদণ্ডে এবং অনধিক পঞ্চাশ হাজার টাকা এবং অন্যূন পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন, এবং দোষী সাব্যস্তকারী আদালত বনের ক্ষতির জন্য যে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দেবে তাহাও দিতে হবে।
এই অধ্যায়ের কোন কিছুই বন কর্মকর্তার লিখিত অনুমতি সহ বা ধারা ৩২ এর অধীন প্রণীত বিধি অনুযায়ী কৃত কোন কার্য, অথবা, ধারা ৩০ এর অধীন বন্ধ কোন বনের অংশ বা ধারা ৩৩ এর অধীন যার প্রয়োগ স্থগিত করা হইয়াছে এইরূপ কোন অধিকার ব্যতীত, ধারা ২৯ এর অধীন রেকর্ডকৃত কোন অধিকার প্রয়োগে কৃত কার্য নিষিদ্ধ করিবে বলিয়া গণ্য হইবে না।
[প্রাইভেট ফরেস্ট অধ্যাদেশ, ১৯৫৯ (১৯৫৯ সনের ৩৪ নং অধ্যাদেশ) এর ৬৩ ধারা দ্বারা বাদদত্ত।]
[প্রাইভেট ফরেস্ট অধ্যাদেশ, ১৯৫৯ (১৯৫৯ সনের ৩৪ নং অধ্যাদেশ) এর ৬৩ ধারা দ্বারা বাদদত্ত।]
[প্রাইভেট ফরেস্ট অধ্যাদেশ, ১৯৫৯ (১৯৫৯ সনের ৩৪ নং অধ্যাদেশ) এর ৬৩ ধারা দ্বারা বাদদত্ত।]
[প্রাইভেট ফরেস্ট অধ্যাদেশ, ১৯৫৯ (১৯৫৯ সনের ৩৪ নং অধ্যাদেশ) এর ৬৩ ধারা দ্বারা বাদদত্ত।]
(ক) যাহা বাংলাদেশে উৎপাদিত, এবং যাহার উপর সরকারের কোন অধিকার আছে;
(খ) যাহা বাংলাদেশের বাহিরের কোন স্থান হইতে আনা হয় বা বাংলাদেশের ভিতর কোন স্থান হইতে বা কোন স্থানে পরিবহন করা হয়।
এই অধ্যায়ের কোন কিছুই কোন কাঠ বা অন্যান্য বনজ দ্রব্যের উপর ক্রয়মূল্য বা রাজস্ব হিসাবে আরোপযোগ্য অর্থের পরিমাণ, যদিও উহা পরিবহনকালে শুল্কের ন্যায় একই পদ্ধতিতে আরোপ করা হয়, সীমিত করিবে বলিয়া গণ্য হইবে না।
(ক) একমাত্র কোন পথ দিয়া কাঠ বা অন্যান্য বনজ দ্রব্য বাংলাদেশে আমদানি, বাংলাদেশ হইতে রপ্তানি বা বাংলাদেশের ভিতর স্থানান্তর করা যাইতে পারে, তাহা নির্ধারণ করিতে পারে;
(খ) উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক জারিকৃত পাস ব্যতীত বা এইরূপ পাসের শর্তাবলী অনুযায়ী ব্যতীত এইরূপ কাঠ বা অন্যান্য দ্রব্য আমদানি, রপ্তানি বা স্থানান্তর নিষিদ্ধ করিতে পারে;
(গ) এইরূপ পাস জারি, উত্পাদন ও ফেরত এবং উহার জন্য ফি প্রদানের ব্যবস্থা করিতে পারে;
(ঘ) পরিবহনরত কাঠ বা অন্যান্য বনজ দ্রব্য থামানো, প্রতিবেদন, পরীক্ষা ও চিহ্নিত করার ব্যবস্থা করিতে পারে, যাহা সম্পর্কে বিশ্বাস করার কারণ আছে যে, উহার মূল্য বা উহার উপর কোন শুল্ক, ফি, রাজস্ব বা চার্জ বাবদ সরকারের নিকট কোন অর্থ প্রদেয়, অথবা এই আইনের উদ্দেশ্যে যাহাতে চিহ্ন লাগানো বাঞ্ছনীয়;
(ঙ) ডিপো স্থাপন ও নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করিতে পারে, যেখানে এইরূপ কাঠ বা অন্যান্য দ্রব্য উহার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের দ্বারা পরীক্ষার জন্য বা এইরূপ অর্থ প্রদানের জন্য বা এইরূপ চিহ্ন লাগানোর জন্য আনা হবে; এবং এইরূপ কাঠ বা অন্যান্য দ্রব্য এইরূপ ডিপোতে আনা, সংরক্ষণ ও অপসারণের শর্ত;
(চ) কাঠ বা অন্যান্য বনজ দ্রব্য পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত কোন নদীর গতিপথ বা তীর বন্ধ বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি নিষিদ্ধ করিতে পারে, এবং এইরূপ কোন নদীতে ঘাস, ঝোপ, ডাল বা পাতা নিক্ষেপ বা কোন কার্য যাহা এইরূপ নদী বন্ধ বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে;
(ছ) এইরূপ কোন নদীর গতিপথ বা তীরের কোন প্রতিবন্ধকতা প্রতিরোধ বা অপসারণের জন্য এবং প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির জন্য দায়ী ব্যক্তির কাছ থেকে ব্যয় আদায়ের ব্যবস্থা করিতে পারে।
[বাংলাদেশ আইন (পুনর্বিবেচনা ও ঘোষণা) আইন, ১৯৭৩ (১৯৭৩ সনের অষ্টম আইন) এর ৩ ধারা এবং দ্বিতীয় তফসিল দ্বারা বাদদত্ত।]