পূর্ণ পাঠ · প্রধান ধারাসমূহ
বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে—
(ক) পতিতাবৃত্তি বা যৌন শোষণ বা নিপীড়নের মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে শোষণ বা নিপীড়ন;
(খ) কোন ব্যক্তিকে পতিতাবৃত্তি অথবা পর্ণোগ্রাফি উৎপাদন বা বিতরণে নিয়োজিত করিয়া মুনাফা ভোগ;
(গ) জবরদস্তিমূলক শ্রম বা সেবা আদায়;
(ঘ) ঋণ-দাসত্ব (debt-bondage), দাসত্ব বা সার্ভিচিউড্(servitude) , দাসত্বরূপ কর্মকাণ্ড, বা গৃহস্থালীতে সার্ভিচিউড্;
(ঙ) প্রতারণামূলক বিবাহের মাধ্যমে শোষণ বা নিপীড়ন;
(চ) কোন ব্যক্তিকে জোরপূর্বক বিনোদন ব্যবসায় ব্যবহার;
(ছ) কোন ব্যক্তিকে ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করা; এবং
(জ) ব্যবসা করিবার উদ্দেশ্যে অপরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গহানী বা কাউকে বিকলাঙ্গ করা;
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
ের অনুচ্ছেদ ১৫২ এর সংজ্ঞানুসারে রাষ্ট্রের কর্মে নিযুক্ত কোনো ব্যক্তি যিনি এই আইনের অধীন কোন আইনি দায়িত্ব পালন বা বহন করেন;
(ক) ভয়ভীতি প্রদর্শন বা বলপ্রয়োগ করিয়া; বা
(খ) প্রতারণা করিয়া বা উক্ত ব্যক্তির আর্থ-সামাজিক বা পরিবেশগত বা অন্য কোন অসহায়ত্বকে (vulnerability) কাজে লাগাইয়া; বা
(গ) অর্থ বা অন্য কোন সুবিধা (kind) লেনদেন-পূর্বক উক্ত ব্যক্তির উপর নিয়ন্ত্রণ রহিয়াছে এমন ব্যক্তির সম্মতি গ্রহণ করিয়া;
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে যৌন শোষণ বা নিপীড়ন বা শ্রম শোষণ বা অন্য কোনো শোষণ বা নিপীড়নের (exploitation) উদ্দেশ্যে বিক্রয় বা ক্রয়, সংগ্রহ বা গ্রহণ, নির্বাসন বা স্থানান্তর, চালান বা আটক করা বা লুকাইয়া রাখা বা আশ্রয় দেওয়া (harbour)।
ব্যাখ্যা— এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, যদি কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে প্রতারণার মাধ্যমে, অসৎ উদ্দেশ্যে এবং বাধ্যতামূলক শ্রম বা ‘সার্ভিচিউড’ (servitude) বা ধারা-২ এর উপ-ধারা (১৫) এ বর্ণিত কোনো শোষণ বা নিপীড়নমূলক পরিস্থিতির শিকার হইতে পারে মর্মে জানা থাকা সত্বেও অন্য কোন ব্যক্তিকে কাজ বা চাকুরীর উদ্দেশ্যে গমন, অভিবাসন বা বহির্গমন করিতে প্রলুব্ধ বা সহায়তা করে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির উক্ত কর্ম উপ-ধারা (১) এ সংজ্ঞায়িত ‘‘মানব পাচার’’ এর অন্তর্ভুক্ত হইবে।
তবে শর্ত থাকে যে, প্রচলিত অন্য কোন আইনে ভিকটিম এবং সাক্ষীর সুরক্ষা বিষয়ক শ্রেয় মানদণ্ডের বিধান থাকিলে সেই সকল বিধানসমূহ এই আইনের সহিত অসামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়া সাপেক্ষে প্রযোজ্য হইবে।
কোন সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর একাধিক সদস্য গোষ্ঠীর সকল সদস্যের সাধারণ অভিপ্রায় সাধনের উদ্দেশ্যে কোন আর্থিক বা অন্য কোনো বস্ত্তগত বা অবস্ত্তগত মুনাফা অর্জনের নিমিত্ত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে উক্ত গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য উক্ত অপরাধ সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত হইবে এবং অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্যূন ৭(সাত) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
কোন ব্যক্তি বেআইনিভাবে অন্য কোন ব্যক্তিকে তাহার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করাইলে অথবা শ্রম বা সেবা প্রদান করিতে বাধ্য করিলে বা ঋণ-দাস করিয়া রাখিলে বা বলপ্রয়োগ বা যে কোন প্রকার চাপ প্রয়োগ করিলে অথবা করিবার হুমকি প্রদর্শন করিয়া শ্রম বা সেবা আদায় করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ১২ (বার) বৎসর এবং অন্যূন ৫ (পাঁচ) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
কোন ব্যক্তি জবরদস্তি বা প্রতারণা করিয়া বা প্রলোভন দেখাইয়া কোন ব্যক্তিকে পতিতাবৃত্তি অথবা অন্য কোন প্রকারের যৌন শোষণ বা নিপীড়নমূলক কাজে নিয়োগ করিবার উদ্দেশ্যে বিদেশ হইতে বাংলাদেশে আনয়ন করিলে বা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে স্থানান্তরিত করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর এবং অন্যূন ৫ (পাঁচ) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
(ক) ভাড়াটিয়া, ইজারাদার (lessee) , দখলদার বা কোন স্থান দেখাশোনার দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তি, জানিয়া-শুনিয়া উক্ত স্থান বা এর কোনো অংশবিশেষ পতিতালয় হিসাবে ব্যবহার করিবার অনুমতি প্রদান করিলে; অথবা
(খ) কোন বাড়ির মালিক, ইজারা-দাতা (lessor) অথবা জমির মালিক অথবা উক্ত মালিক বা ইজারা-দাতার কোন প্রতিনিধি উক্ত বাড়ি অথবা উহার কোন অংশবিশেষ পতিতালয় হিসাবে ব্যবহৃত হইবে তাহা জানা সত্ত্বেও উক্ত বাড়ি বা জমি ভাড়া প্রদান করিলে;
তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর এবং অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
কোন ব্যক্তি রাস্তায় বা জনসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে অথবা গৃহ অভ্যন্তরে বা গৃহের বাহিরে পতিতাবৃত্তির উদ্দেশ্যে মুখের ভাষায় বা অংগভঙ্গি করিয়া বা অশালীন ভাব-ভঙ্গি দেখাইয়া অন্য কোন ব্যক্তিকে আহবান করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৩ (তিন) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
কোন ব্যক্তি মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি বা মামলার সাক্ষীকে বা তাহার পরিবারের কোনো সদস্যকে হুমকি প্রদান, ভীতি প্রদর্শন বা বলপ্রয়োগ করিয়া এই আইনের অধীন রুজুকৃত কোন মামলার তদন্ত বা বিচারকার্যে কোনরূপ গুরুতর বিঘ্ন সৃষ্টি করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর এবং অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (cognizable) , অ-জামিনযোগ্য(non-bailable) এবং অ-আপোসযোগ্য (non-compoundable) হইবে।
কোন ব্যক্তির হেফাজত হইতে অথবা তাহার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে থাকা কোন স্থান হইতে মানব পাচার অপরাধের শিকার কোন ব্যক্তিকে অথবা মানব পাচার অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত কোন কিছু উদ্ধার করা হইলে এবং উক্ত ব্যক্তিকে যদি মানব পাচারকারী হিসাবে যুক্তিসঙ্গতভাবে সন্দেহ হয় অথবা তিনি যদি উদ্ধারকৃত ভিকটিম কর্তৃক মানব পাচারকারী হিসেবে চিহ্নিত হন, তবে, ভিন্নরূপ প্রমাণিত না হইলে, উক্ত ব্যক্তি এই আইনের অধীন মানব পাচার অপরাধ সংঘটন করিয়াছেন বলিয়া অনুমান করা যাইবে।
তবে শর্ত থাকে যে, আন্তঃরাষ্ট্রীয় তদন্তের ক্ষেত্রে কেবল ট্রাইব্যুনাল এই ধরনের তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবে এবং উক্ত ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল তাহার স্বীয় বিবেচনায় যৌক্তিক মেয়াদে তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিবে।
ট্রাইব্যুনাল কোন ব্যক্তির আবেদনক্রমে অথবা স্বীয় ক্ষমতায় কোন মামলার অধিকতর তদন্তের এবং তদকতৃর্ক নির্দিষ্টকৃত সময়ের মধ্যে তদন্তের প্রতিবেদন দাখিল করিতে আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
ন্যায়বিচারের স্বার্থে এবং নারী কিংবা শিশু ভিকটিমের সুরক্ষার প্রয়োজনে ট্রাইব্যুনাল কারণ উল্লেখ করিয়া এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচারকার্য কেবল মামলার পক্ষগণ এবং তাহাদের নিযুক্ত আইনজীবীগণ বা ট্রাইব্যুনালের অনুমতি সাপেক্ষে অন্যান্য প্রতিনিধিগণের উপস্থিতিতে রুদ্ধ-কক্ষে অনুষ্ঠানের আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচারের যেকোন পর্যায়ে পাচারের শিকার ব্যক্তি বা অন্য কোন সাক্ষী অনুবাদক বা দোভাষী বা প্রয়োজনে ইশারা ভাষার দোভাষী নিয়োগের অনুরোধ করিতে পারিবে এবং ট্রাইব্যুনাল সেইমর্মে উপযুক্ত আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
Public Demands Recovery Act, 1913
(Bengal Act No. III of 1913) এর বিধানানুযায়ী আদায়যোগ্য হইবে।
অডিও ভিস্যুয়াল যন্ত্র বা কোন ইলেকট্রনিক যোগাযোগের মাধ্যমে ধারণকৃত সাক্ষ্য প্রমাণ ট্রাইব্যুনালের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য (admissible) হইবে।
ট্রাইব্যুনালের কোন আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে রায় প্রদান অথবা আদেশ বা দণ্ড ঘোষণার ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে।
তবে শর্ত থাকে যে,ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠিত আশ্রয় বা পুনর্বাসন কেন্দ্রসমূহকে এই আইন বলবৎ হইবার ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে এই ধরনের লাইসেন্স বা অনুমোদন লইতে হইবে।
ফৌজদারী মামলা রুজু করিবার অধিকার অক্ষুণ্ন রাখিয়া এবং দায়েরকৃত কোন ফৌজদারী মামলার পাশাপাশি, ভিকটিম বা পাচারের শিকার ব্যক্তি এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের ফলে সৃষ্ট তাহার প্রকৃত ক্লেশ (sufferance) বা আইনগত ক্ষতির (legal injury) জন্য বা উক্ত অপরাধের সহিত সম্পৃক্ত কোন চুক্তি লংঘনের জন্য দেওয়ানী আদালতে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করিতে পারিবে।
মানব পাচারের শিকার কোন ব্যক্তি বা ভিকটিমকে সরকার এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত তহবিল হইতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করিতে পারিবে, তবে এই ধরনের সহায়তা কোন বেসরকারি সংস্থা হইতে অথবা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০
(২০০০ সনের ৬ নং আইন) অনুসারে আইনগত সহায়তা পাইবার ক্ষেত্রে তাহার কোন সুযোগ বা অধিকারকে খর্ব করিবে না।
তবে শর্ত থাকে, এই উপ-ধারার অধীন সমঝোতা স্মারক বা চুক্তি স্বাক্ষরিত না হওয়া পর্যন্ত এইরূপ যৌথ বা পারস্পরিক আইনি সহায়তা আদান-প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে এই আইনের কোন কিছুই সরকারকে নিবৃত্ত করিবে না।
(ক) মানব পাচার অপরাধের তদন্ত, তল্লাশী বা আটক কার্যক্রম পরিচালনা এবং মানব পাচারের শিকার ব্যক্তির আইনগত সহযোগিতা সম্পর্কিত বিষয়;
(খ) শপথের মাধ্যমে সাক্ষীর পরীক্ষা এবং সাক্ষীর বক্তব্য, সরকারি প্রতিবেদন এবং আদালতে দাখিলকৃত সাক্ষ্য-প্রমাণাদি বিনিময়;
(গ) মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের এবং মানব পাচার অপরাধ সংঘটনকারী বা সংঘটনের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের পারস্পরিক বিনিময়;
(ঘ) অপরাধলব্ধ অর্থ বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ বা জরিমানা বা ক্রোক সংক্রান্ত আদালতের আদেশ কার্যকরকরণের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আইনগত, কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক সহযোগিতা;
(ঙ) মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের টেকসই পুনর্বাসন এবং উক্ত ব্যক্তিদের স্বদেশে সামাজিকভাবে একাঙ্গীভূতকরণ।
(ক) সরকারের মঞ্জুরী বা অনুদান;
(খ) কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান; বা
(গ) কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান; এবং
(ঘ) মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমনের উদ্দেশ্যে প্রাপ্ত অন্য যে কোন উৎস হইতে প্রাপ্ত
অর্থ।
এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে সরকার বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে জাতীয় মানব পাচার দমন সংস্থা নামে একটি সংস্থা গঠন করিতে পারিবে।
এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তি কোন কোম্পানী বা ফার্ম হইলে, তাহা বাংলাদেশে নিবন্ধিত (incorporated) হউক বা না হউক, যে সকল ব্যক্তি উক্ত অপরাধ সংঘটিত হইবার সময় উক্ত কোম্পানী বা ফার্মের মালিক, পরিচালক, ম্যানেজার, সচিব বা এজেন্টের দায়িত্বে ছিলেন তাহারা উক্ত অপরাধ সংঘটন করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন, যদি না অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রমাণ করিতে পারেন যে অপরাধটি তাহার অজ্ঞাতসারে সংঘটিত হইয়াছে এবং তাহা রোধ করিবার জন্য তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করিয়াছেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০
(২০০০ সনের ৮নং আইন) এর ধারা ৫ ও ৬ এতদ্দ্বারা রহিত করা হইল।