পূর্ণ পাঠ · প্রধান ধারাসমূহ
বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে,-
আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩
(১৯৯৩ সনের ২৭ নং আইন) এর ধারা ২ এর দফা (খ) এ সংজ্ঞায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান;
কোম্পানী আইন, ১৯৯৪
(১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন);
(অ) বীমা চুক্তিতে বর্ণিত কোন কারণে লাইফ ইন্স্যুরেন্সকৃত ব্যক্তির মৃত্যু ঘটিলে;
(আ) দুর্ঘটনা বা অসুস্থতার কারণে বীমাকৃত ব্যক্তি আঘাতপ্রাপ্ত বা অসামর্থ্য হইলে; অথবা
(ই) বীমাকৃত ব্যক্তিকে চুক্তিতে উল্লিখিত কোন রোগে রোগাক্রান্ত বা চিকিৎসারত অবস্থায় পাওয়া গেলে;
Bangladesh Bank Order, 1972
(P.O. 127 of 1972)এর section 2 এর clause (j) তে সংজ্ঞায়িত Scheduled Bank;
(অ) পলিসির অধীনে উদ্ভূত দায়; অথবা
(আ) পলিসিতে বর্ণিত ঘটনা সংঘটনে উদ্ভূত দায়;
Securities Act, 1920
(X of 1920) এর section 2 এর clause (a) তে সংজ্ঞায়িত Government Security;
সমবায় সমিতি আইন, ২০০১
(২০০১ সনের ৪৭ নং আইন);
কোম্পানী আইন, ১৯৯৪
-এ যে অর্থে ব্যবহৃত হইয়াছে সেই অর্থে প্রযোজ্য হইবে।
কোন শ্রেণীর কোন বীমাকারীর সংশ্লিষ্ট ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়ে বাংলাদেশে কোন দায় অপূর্ণ থাকিলে এবং সংশ্লিষ্ট দায় সম্পর্কে ভিন্নরূপ কোন কার্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হইলে উক্তরূপ বীমাকারীর ক্ষেত্রে এই আইনের বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে৷
(ক) কোম্পানী আইন এর অধীন কোন পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী;
(খ) এই আইন কার্যকর হইবার অব্যবহিত পূর্বে সমবায় সমিতি আইন এর অধীন নিবন্ধিত যে সকল সমবায় সমিতি
Insurance Act, 1938
এর অধীন বীমাকারী হিসাবে নিবন্ধিত; এবং
(গ) বাংলাদেশের বাহিরে কোন দেশের আইনের অধীন সংবিধিবদ্ধ এমন কোন বীমা সংস্থা, যাহা কোন প্রাইভেট কোম্পানী নহে অথবা প্রাইভেট কোম্পানীর সাবসিডিয়ারী নহে৷
Insurance Act, 1938
এবং
Insurance Corporations Act, 1973
এর অধীন কোন বীমাকারী কর্তৃক পরিচালিত জীবন বীমা এবং সাধারণ বীমা ব্যবসা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে যথাক্রমে লাইফ ইন্স্যুরেন্স এবং নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স ব্যবসা বলিয়া গণ্য হইবে৷
প্রত্যেক বীমাকারী এই আইন বলবৎ হইবার পর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক, গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা, নির্ধারিত আনুপাতিক হারে গ্রামীণ বা সামাজিক খাতে লাইফ ইন্স্যুরেন্স বা নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স ব্যবসা পরিচালনা করিবে৷
Insurance Act, 1938
এর অধীন নিবন্ধিত যেই সকল বীমাকারী ইসলামী বীমা ব্যবসা পরিচালনা করিত, সেই সকল বীমাকারী এবং ইসলামী বীমা ব্যবসা পরিচালনায় আগ্রহী যে কোন ব্যক্তি বা কোম্পানী এই আইনের অন্যান্য বিধান এবং কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে অনুমতি প্রাপ্তি সাপেক্ষে, যে কোন শ্রেণীর বা উপ-শ্রেণীর বীমা ব্যবসা পরিচালনা করিতে পারিবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, কোন ব্যক্তি বা কোম্পানী একই সঙ্গে প্রচলিত নন লাইফ বীমা ব্যবসা এবং ইসলামী বীমা ব্যবসা পরিচালনা করিতে পারিবে না ।
তবে শর্ত থাকে যে, কর্তৃপক্ষ গঠিত হইবার অনধিক ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে উক্তরূপ বীমাকারী কোন্ ধরনের বীমা ব্যবসা করিতে আগ্রহী তাহা লিখিতভাবে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিবে৷
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত অন্য ধরনের বীমা ব্যবসার আওতায় ইতিপূর্বে ইস্যুকৃত বীমা পলিসিসমূহ দাবী পরিশোধ না হওয়া বা মেয়াদ অবসান না হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে৷
তবে শর্ত থাকে যে,
Insurance Corporations Act, 1973
এর অধীন গঠিত জীবন বীমা কর্পোরেশন এবং সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা ব্যবসা পরিচালনার জন্য এই আইনের অধীন নিবন্ধিত বলিয়া গণ্য হইবে।
Insurance Act, 1938
এর অধীন নিবন্ধিত কোন বীমাকারী বাংলাদেশে উহার বীমা ব্যবসা অব্যাহত রাখিতে চাহিলে উক্ত বীমাকারীকে এই আইন বলবৎ হইবার ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে কর্তৃপক্ষের নিকট নিবন্ধন সনদের জন্য লিখিতভাবে আবেদন করিতে হইবে৷
(ক) আবেদনকারী কোন কোম্পানী হইলে, উহার সংঘ-স্মারক ও সংঘ-বিধির প্রত্যায়িত অনুলিপি, পরিচালকদের নাম, ঠিকানা, পেশা এবং ট্যাক্স পরিচিতি নম্বর, যদি থাকে;
(খ) আবেদনকারী
Insurance Act, 1938
এর অধীন নিবন্ধিত বীমা কোম্পানী হইলে বাংলাদেশে উহার প্রধান কার্যালয়ের পূর্ণ ঠিকানা এবং উক্ত কোম্পানীর পরিচালকগণের এবং ব্যবস্থাপকের নাম, ট্যাক্স পরিচিতি নম্বর, যদি থাকে, এবং যোগাযোগের ঠিকানা;
(গ) আবেদনকারীর বীমা ব্যবসার প্রধান কার্যালয় বাংলাদেশের বাহিরে হইলে বা আবেদনকারী বাংলাদেশের বাহিরে স্থায়ী নিবাসী হইলে ধারা ১১৪ এর দফা (ক) এ বর্ণিত দলিল;
(ঘ) আবেদনকারী সমবায় সমিতি হইলে, উহার সকল সদস্যের নাম, ঠিকানা, ট্যাক্স পরিচিতি নম্বর, যদি থাকে, এবং সমিতির নিবন্ধিত প্রধান কার্যালয়ের ঠিকানা;
(ঙ) বাংলাদেশের বাহিরে বীমা ব্যবসার প্রধান কার্যালয় রহিয়াছে এইরূপ আবেদনকারী বা বাংলাদেশের বাহিরে স্থায়ী নিবাসী আবেদনকারীর ক্ষেত্রে যে দেশে উক্ত বীমাকারী গঠিত, নিগমিত বা যে দেশে উক্ত ব্যক্তি স্থায়ী নিবাসী সেই দেশের নাগরিকগণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় এমন আবশ্যকীয় বিষয়াদি, যদি থাকে, যাহা সেই দেশের বীমা ব্যবসায় পরিচালনার জন্য বাংলাদেশী নাগরিকগণের ক্ষেত্রে শর্ত হিসাবে আইন কিংবা প্রচলিত প্রথা দ্বারা আরোপিত এইরূপ বিষয়ে বীমাকারীর মুখ্য-নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক হলফনামা দ্বারা প্রতিপাদিত একটি বিবরণী;
(চ) যে শ্রেণী বা উপ-শ্রেণীসমূহের বীমা ব্যবসা করা হইবে তৎসম্পর্কিত বিবরণী এবং নিবন্ধনের জন্য আবেদন করার পূর্বে ধারা ২৩ অথবা ধারা ১১৯ অনুযায়ী আবশ্যকীয় অর্থ জমাদান সম্পর্কিত বিবরণসহ জমাকৃত অর্থের পরিমাণ উল্লেখ সম্বলিত বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রত্যায়নপত্র ;
(ছ) যেই সকল ক্ষেত্রে ধারা ২১ ও ধারা ১১৮ এর বিধান প্রযোজ্য সেই সকল ক্ষেত্রে যথাক্রমে বীমাকারীর মোট পরিশোধিত মূলধন এবং মোট চলতি মূলধন সম্পর্কে নিরীক্ষক দ্বারা যথাযথ প্রত্যায়নকৃত একটি বিবরণী এবং এতদ্ববিষয়ে বীমাকারীর মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক পরিশোধিত মূলধন বা, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, চলতি মূলধন সংক্রান্ত উক্ত ধারাসমূহের বিধান পরিপালিত হইয়াছে মর্মে হলফনামা দ্বারা প্রত্যায়িত একটি ঘোষণাপত্র;
(জ) প্রকাশিত প্রসপেক্টাস, যদি থাকে, এবং বীমাকারীর মানসম্মত পলিসি ফরম এর প্রত্যায়িত অনুলিপি, প্রস্তাবিত প্রিমিয়াম হার, সুবিধা এবং বীমা পলিসি সম্পর্কিত শর্তাবলীর বিবরণ এবং তৎসহ লাইফ ইন্স্যুরেন্স ব্যবসা সম্পর্কিত উক্ত হার, সুবিধা ও শর্তাবলীর কার্যকরযোগ্য ও যথার্থ মর্মে একচ্যুয়ারী কর্তৃক একটি সনদপত্রঃ
তবে শর্ত থাকে যে, শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ ও মোটরকার বীমা ব্যতীত অন্যান্য নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রস্পেক্টাস, পূরণকৃত ফরম ও বিবরণী সংক্রান্ত করণীয়সমূহ;
(ঝ) এই আইনের অধীন বিন্যাসিত কোন শ্রেণীর বা উপ-শ্রেণীর বীমা ব্যবসার জন্য, বিধি দ্বারা নির্ধারিত, ফি পরিশোধের রসিদ; এবং
(ঞ) এতদুদ্দেশ্যে প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত অন্য যে কোন দলিল, কাগজ বা তথ্যাদি৷
(ক) আবেদনকারী বাংলাদেশে বা বাংলাদেশের বাহিরে বাংলাদেশের বা অন্য কোন রাষ্ট্রের আইনে নিগমিত বা নিবন্ধিত;
(খ) এই আইনের অধীন আবশ্যকীয় ন্যূনতম পরিশোধিত শেয়ার মূলধন সম্পর্কিত বিধানাবলী আবেদনকারী পরিপালন করিয়াছে;
(গ) এই আইনের অধীন ন্যূনতম সংবিধিবদ্ধ জমা সম্পর্কিত বিধানাবলী আবেদনকারী কর্তৃক পরিপালিত হইয়াছে;
(ঘ) আবেদনকারীর ব্যবস্থাপনার সাধারণ বৈশিষ্ট্যাবলী ভাল এবং আর্থিক অবস্থা সুদৃঢ় ;
(ঙ) এই আইনের অধীন পুনঃবীমা সংক্রান্ত ব্যবস্থা গ্রহণের বিধানাবলী আবেদনকারী পরিপালন করিয়াছে;
(চ) আবেদনকারীর পরিকল্পিত ব্যবসায়ের পরিমাণে উহার দায় পরিশোধের জন্য পর্যাপ্ত আয়ের সম্ভাবনা রহিয়াছে; এবং
(ছ) লাইফ ইন্স্যুরেন্স ব্যবসা পরিচালনার জন্য একজন একচ্যুয়ারি এবং যোগ্যতাসম্পন্ন অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী আবেদনকারীর অধীন চাকুরীতে নিয়োজিত থাকিবার মত পরিস্থিতি রহিয়াছে৷
যদি বীমাকারী-
(ক) ধারা ২৩ বা ধারা ১১৯ এর জামানত সম্পর্কিত বিধান পালনে ব্যর্থ হন ;
(খ) নিবন্ধনের ১ (এক) বৎসরের মধ্যে ব্যবসা শুরু না করেন ;
(গ) উহার পাওনাদারদের সংগে কোন সমঝোতা বা বন্দোবস্ত করার প্রস্তাব করিয়া বা উক্ত সমঝোতা বা বন্দোবস্ত করিয়া থাকে, বা একীভূত হইয়া থাকে বা বীমা ব্যবসা অবসায়িত বা অবলুপ্ত হইয়া থাকে বা অন্য কোনভাবে ব্যবসাটি বন্ধ হইয়া যায় বা বীমাকারী দেউলিয়া ঘোষিত হন ;
(ঘ) বীমা পলিসি গ্রাহকদের স্বার্থের বা ব্যবসার উন্নয়নের পরিপন্থী বা জাতীয় স্বার্থে ক্ষতিকর কোন বীমা ব্যবসা পরিচালনা করেন;
(ঙ) তাহার দায় দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন ;
(চ) প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত সলভেন্সি মার্জিন সংরক্ষণে ব্যর্থ হন;
(ছ) এই আইন বা তদধীন প্রণীত কোন বিধি বা প্রবিধানের কোন বিধান লংঘন করেন বা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আরোপিত কোন শর্ত বা প্রদত্ত কোন নির্দেশনা প্রতিপালনে ব্যর্থ হন;
(জ) তাহার ব্যবসা ব্যবস্থাপনায় কোন অনৈতিক কর্মকান্ডে বা অপকর্মে বা অনিয়মের সহিত জড়িত থাকেন;
(ঝ) সন্তোষজনকভাবে পুনঃবীমা ব্যবস্থাকার্য সম্পাদনে ব্যর্থ হন; বা
(ঞ) তাহার উপর কোন বীমা পলিসির, বাংলাদেশে উদ্ভূত, কোন দাবী কোন আদালতের চূড়ান্ত রায়ের বা এই আইনের অধীন কর্তৃপক্ষের আদেশের পর ৩ (তিন) মাস পর্যন্ত অপরিশোধিত থাকে৷
(ক) বীমাকারী কর্তৃক প্রদত্ত স্থগিতাদেশ দূরীকরণের পক্ষে প্রদর্শিত কারণে সন্তুষ্ট হইলে, অনতিবিলম্বে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারকরণ; বা
(খ) বীমাকারী কর্তৃক প্রদর্শিত কারণে সন্তুষ্ট না হইলে ইতিপূর্বে বলবৎ স্থগিতাদেশের মেয়াদকাল অনধিক আরও ২ (দুই) মাসের জন্য বৃদ্ধি বা নিবন্ধন বাতিলকরণ৷
(ক) স্থগিতাদেশ বর্ধিতকরণের সময়কাল; এবং
(খ) স্থগিতাদেশ বর্ধিত করণের কারণ এবং উক্তরূপ কারণ অবসানের জন্য বীমাকারী কর্তৃক গৃহীতব্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এবং উহার সময়সীমা৷
তবে শর্ত থাকে যে, নিবন্ধন সনদ বাতিল হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তদকর্তৃক ইস্যুকৃত বীমাচুক্তিসমূহের অধিকার ও দায়-দায়িত্ব, উপ-ধারা (১১) এর বিধান সাপেক্ষে, নিবন্ধন সনদ বাতিল না হইলে যেইরূপ হইত সেই একইরূপে উহা চলমান ও অব্যাহত থাকিবে৷
যদি বীমাকারী-
(ক) ধারা ২৩ বা ধারা ১১৯ এর বিধান অনুযায়ী আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করেন;
(খ) তাহার স্থায়ী চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করেন;
(গ) উপ-ধারা (১) এর দফা (ছ) এর অধীন যে লংঘন বা পরিপালনজনিত ব্যর্থতার জন্য নিবন্ধন বাতিল হইয়াছিল তাহা পরিপালন করিয়া থাকেন;
(ঘ) উপ-ধারা (১) এর দফা (ঞ) এর অধীন কোন দাবী অপরিশোধিত না রাখেন; বা
(চ) কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশ পরিপালন করিয়া থাকেন৷
কোন বীমাকারী-
(ক) নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স ব্যবসার কোন শ্রেণীর জন্য নিবন্ধিত হইলে লাইফ ইন্স্যুরেন্স ব্যবসার জন্য; এবং
(খ) লাইফ ইন্স্যুরেন্স ব্যবসার কোন শ্রেণীর জন্য নিবন্ধিত হইলে নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স ব্যবসার জন্য, নিবন্ধিত হইবে না৷
Insurance Act, 1938
এর অধীন নিবন্ধিত কোন বীমাকারীর একই নামে কিংবা সাদৃশ্য নামে, যাহা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করিতে পারে বা প্রতারণামূলক বিবেচিত হইতে পারে, কোন ব্যক্তিকে বীমাকারী হিসাবে নিবন্ধন করা যাইবে না, যদি না নিবন্ধিত বীমাকারী অবসায়ন প্রক্রিয়ায় না থাকে এবং একই নামে বা সাদৃশ্য নামে কোন ব্যক্তিকে বীমাকারী হিসাবে নিবন্ধনের জন্য ইতিমধ্যে নিবন্ধিত বীমাকারীর সম্মতি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা না হয়।
(ক) বীমাকারী কর্তৃক লাইফ ইন্স্যুরেন্স পরিকল্পটি সর্বসাধারণের নিকট বিপণন নিষিদ্ধ করিবে; বা
(খ) বীমাকারীকে তদকর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশনা অনুযায়ী বীমা পরিকল্পটি পরিবর্তন বা সংশোধন করিতে নির্দেশ দিবে ।
কোন ব্যক্তি বাংলাদেশস্থ কোন সম্পত্তি বা স্বার্থের কোন ঝুঁকির বীমা, বাংলাদেশে অনুরূপ ঝুঁকি আবরিত (risk cover) করা যায় না মর্মে কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে সনদপত্র গ্রহণ ব্যতিরেকে, বাংলাদেশের বাহিরে করিবে না :-
তবে শর্ত থাকে যে, কর্তৃপক্ষ কোন ব্যক্তিকে যেইরূপ সমীচীন মনে করে সেইরুপ সময়ের জন্য উক্ত সম্পত্তি বা স্বার্থের বীমা সম্পর্কিত এই ধারার বিধান হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে
আরো শর্ত থাকে যে, কর্তৃপক্ষ যদি এই ধারার অধীন সনদপত্র প্রদান প্রত্যাখ্যান করে, তাহা হইলে কর্তৃপক্ষ লিখিতভাবে তাহার সিদ্ধান্ত এইরূপ আবেদন প্রাপ্তির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে আবেদনকারীকে অবহিত করিবে৷
তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-ধারার অধীন প্রজ্ঞাপন জারী করার পূর্বে কর্তৃপক্ষ যে সকল বীমাকারী এবং পুনঃবীমাকারী বাংলাদেশে বা বাংলাদেশের বাহিরে ঐ সকল নির্দিষ্ট পুনঃবীমাকারীর সহিত পুনঃবীমা ব্যবসারত তাহাদেরকে প্রজ্ঞাপন জারীর ইচ্ছা অবহিত করিবে এবং জারীতব্য প্রজ্ঞাপন সম্পর্কে বীমাকারী বা বীমাকারীদের কোন আবেদন থাকিলে তাহা বিবেচনা করিবে৷
তবে শর্ত থাকে যে, সরকার, প্রয়োজনে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ বৃদ্ধি বা হ্রাস করিতে পারিবে :
আরো শর্ত থাকে যে, উদ্যোক্তাগণ নিবন্ধনের আবেদন করার পূর্বে পরিশোধিত মূলধনে তাহাদের নিজ নিজ অংশ দায় মুক্তভাবে বাংলাদেশে কোন তফসিলী ব্যাংকে কোম্পানীর নামে জমা করিবেন এবং উক্ত অর্থ দায়মুক্তভাবে জমা হিসাবে থাকিবে।
বিদেশী উদ্যোক্তা, বিধি দ্বারা নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে, বীমা কোম্পানীর শেয়ার ক্রয় বা ধারণ করিতে পারিবে এবং তৎকর্তৃক শেয়ার ধারণ সরকার কর্তৃক ধার্যকৃত সর্বোচ্চ সীমার অতিরিক্ত হইবে না৷
তবে শর্ত থাকে যে, সিকিউরিটিজের উপর সুদ সংগ্রহ করিবার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক, সময়ে সময়ে, ধার্যকৃত কমিশন কর্তনযোগ্য হইবে৷
(ক) এই ধারার অধীন বীমাকারী কর্তৃক জমাকৃত সিকিউরিটিজ বিক্রয় করিতে এবং উক্তরূপ বিক্রয়লব্ধ অর্থ নিজের কাছে জামানত হিসাবে রাখিতে পারিবে, বা
(খ) বীমাকারী কর্তৃক নির্দিষ্টকৃত জমাকৃত অর্থ বা সিকিউরিটিজের বিক্রয়লব্ধ সমুদয় অর্থ বা উহার অংশ বিশেষ, বা জমাকৃত সিকিউরিটিজের পরিপক্ক মূল্য সরকারী সিকিউরিটিতে বিনিয়োগ করিতে পারিবে এবং ঐরূপ বিক্রয় ও বিনিয়োগের জন্য তদকর্তৃক ধার্যকৃত কমিশন আদায় করিতে পারিবে৷
(ক) যদি সিকিউরিটিজ এর বিক্রয়লব্ধ অর্থ বা অর্জিত সুদ ব্যতীত, সিকিউরিটিজের পরিপক্ক মূল্য জমাকৃত সিকিউরিটিজের জমা দেওয়ার তারিখে বিদ্যমান বাজারমূল্যের কম হয়, তাহা হইলে বীমাকারী উক্ত ঘাটতি সিকিউরিটিজের পরিপক্ক হওয়া বা বিক্রীত হওয়ার ২ (দুই) মাসের মধ্যে নগদে বা জমা প্রদান করিবার তারিখে বাজার দরে প্রাক্কলিত মূল্যে সরকারী সিকিউরিটিজের মাধ্যমে বা আংশিক নগদ ও আংশিক সিকিউরিটিজের মাধ্যমে পূরণ করিবে, অন্যথায় বীমাকারী এই ধারার অধীন জামানত সম্পর্কিত বিধান লংঘন করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(খ) যদি সিকিউরিটিজের বিক্রয়লব্ধ অর্থ বা অর্জিত সুদ ব্যতীত সিকিউরিটিজের পরিপক্ক মূল্য বাংলাদেশ ব্যাংকে জামানতকৃত সিকিউরিটিজের জমা দেওয়ার তারিখে বিদ্যমান বাজার মূল্য অতিক্রম করে, সেইক্ষেত্রে উক্ত অতিরিক্ত অর্থ বীমাকারীকে ফেরত্দানের লক্ষ্যে কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে; এবং
(গ) যদি এই ধারার অধীনে জামানতকৃত অর্থ হইতে কোন অংশ বীমাকারীর কোন দায় নিষ্পন্নে ব্যবহৃত হইয়া থাকে, তাহা হইলে বীমাকারী উক্ত ব্যবহূত অর্থ পূরণে নগদে বা জমা দেওয়ার তারিখে বাজার মূল্যে প্রাক্কলিত সরকারী সিকিউরিটিজে বা আংশিক নগদে এবং আংশিক অনুরূপ মূল্যায়িত সরকারী সিকিউরিটিজে অতিরিক্ত অর্থ জমাদান করিবে এবং দায় নিষ্পন্নে ব্যবহূত জামানত বা উহার কোন অংশ বিশেষ ব্যবহারের তারিখ হইতে ২ (দুই) মাসের মধ্যে ঘাটতি পূরণ না হইলে বীমাকারী উপ-ধারা (১) এর চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হইয়াছে এবং জামানত সম্পর্কিত বিধান লংঘন করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে৷
নিম্নবর্ণিত উপায়ে বীমাকারীর জামানত সংরক্ষণ করা হইবে, যথাঃ-
(ক) ধারা ২৩ অথবা ১১৯ এর অধীনে জমাকৃত কোন জামানত বীমাকারীর সম্পত্তির অংশ বলিয়া বিবেচিত হইবে;
(খ) জামানতে কোন স্বত্ব নিয়োগ কিংবা জামানত দায়বদ্ধ করা যাইবে না;
(গ) বীমাকারী কর্তৃক ইস্যুকৃত বীমা পলিসি হইতে উদ্ভূত দায়সমূহের অনিষ্পন্ন দায় মোচন ব্যতীত বীমাকারীর অন্য কোন দায় মোচনে জামানত ব্যবহার করা যাইবে না; বা
(ঘ) বীমা পলিসি গ্রাহক পলিসি সম্পর্কিত এইরূপ কোন দায় যাহা বীমা পলিসি গ্রাহক অন্য কোন প্রকারে আদায় করিতে ব্যর্থ হইয়াছেন সেইরূপ দায় সম্পর্কে তাহার অনুকূলে প্রাপ্ত আদেশ ব্যতীত জামানত ক্রোক করা যাইবে না৷
কোন বীমাকারী বাংলাদেশে কোন শ্রেণীর বীমা ব্যবসা বন্ধ করিলে এবং উক্ত শ্রেণীর ব্যবসায়ে বাংলাদেশে তাহার দায় নিষ্পন্ন সন্তোষজনক হইয়া থাকিলে বা অন্য কোন প্রকারে উহা নিষ্পন্নের ব্যবস্থা করা হইলে বীমাকারীর আবেদনের প্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ উক্ত শ্রেণীর বীমা ব্যবসার জন্য ধারা ২৩ বা ধারা ১১৯ এর অধীন জমাকৃত জামানত ফেরত্ প্রদান করিতে পারিবে৷
(ক) প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে এবং ছকে স্থিতিপত্র (balance sheet);
(খ) প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত ছক অনুযায়ী লাভ-ক্ষতির হিসাব;
(গ) যে বীমাকারীকে এই আইন অনুযায়ী বীমা ব্যবসার ধরন অনুযায়ী আয় ও ব্যয়ের পৃথক হিসাব সংরক্ষণ করিতে হয়, সেই বীমাকারীর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শ্রেণীর বা উপ-শ্রেণীর বীমা ব্যবসার জন্য প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত ফরমে একটি রাজস্ব হিসাব; এবং
(ঘ) উক্ত সময়ে বীমা ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিগণের নাম ও পরিচিতি সম্বলিত বিবরণ এবং উক্ত ব্যক্তিবর্গের ব্যবসায়িক কার্যাবলী সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যাদি উল্লেখক্রমে একটি প্রতিবেদন৷
তবে শর্ত থাকে যে এই ধারার অধীন কোন বৎসরের হিসাব নিরীক্ষার জন্য নিযুক্ত নিরীক্ষক এবং ধারা ২৮ এর অধীন নিযুক্ত নিরীক্ষক একই ব্যক্তি হইতে পারিবে না৷
তবে শর্ত থাকে যে, কোন বীমাকারীর বিশেষ অবস্থা বিবেচনায় কর্তৃপক্ষ উহাকে পূর্ববর্তী অনুসন্ধান সম্পাদনের ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে যে কোন তারিখে এই ধারার অধীন অনুসন্ধান করাইবার অনুমতি প্রদান করিতে পারিবে৷
তবে শর্ত থাকে যে, উপ-ধারা (১) এবং উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত অনুসন্ধান যদি বীমাকারী কর্তৃক বাৎসরিক ভিত্তিতে করানো হয় তবে উক্ত বিবরণী প্রতি বৎসর সংলগ্ন না করিয়া প্রতি ৩ (তিন) বৎসর অন্তর একবার পরিশিষ্ট হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা যাইবে৷
তবে শর্ত থাকে যে, যদি কর্তৃপক্ষ মনে করে যে, কোন বীমাকারী কর্তৃক লেনদেনকৃত স্বাস্থ্য বীমা ব্যবসার সংখ্যা ও পরিমাণ অত্যন্ত কম, তাহা হইলে কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট বীমাকারীকে এই উপ-ধারার অধীন স্বাস্থ্যবীমা সম্পর্কিত বিধান হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে৷
প্রত্যেক বীমাকারী তৎকর্তৃক বাংলাদেশে লেনদেনকৃত বীমা ব্যবসা সংক্রান্ত সকল পলিসি এবং দাবীর বিষয়ে প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে একটি রেজিস্টার সংরক্ষণ করিবে৷
তবে শর্ত থাকে যে, যে সকল বীমাকারীর ব্যবসায়ের প্রধান কার্যালয় বা স্থায়ী নিবাস বাংলাদেশের বাহিরে এবং যে সকল বীমাকারী বাংলাদেশে গঠিত, নিগমিত এবং বাংলাদেশে স্থায়ী নিবাসী কিন্তু বাংলাদেশের বাহিরেও বীমা ব্যবসা পরিচালনা করিয়া থাকে, সেই সকল বীমাকারীর ক্ষেত্রে উপরে বর্ণিত ৬ (ছয়) মাসের মেয়াদ আরও ৩ (তিন) মাস পর্যন্ত বর্ধিত করা যাইতে পারেঃ
আরো শর্ত থাকে যে, কর্তৃপক্ষ, প্রয়োজনে, এই উপ-ধারায় প্রদত্ত রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা অনধিক ১ (এক) মাস বৃদ্ধি করিতে পারিবে৷
1
[(৪) এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন,
ফাইনান্সিয়াল রিপোর্টিং আইন, ২০১৫
এর ধারা ২(৮) এ সংজ্ঞায়িত ‘‘জনস্বার্থ সংস্থা’’ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত বীমাকারীর দায়িত্ব হইবে উক্ত আইনের ধারা ৪০ এর বিধান অনুযায়ী প্রণীত ফাইনান্সিয়াল রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ডস এবং অডিটিং স্ট্যান্ডার্ডস অনুসরণে প্রস্ত্ততকৃত নিরীক্ষকের প্রতিবেদনসহ প্রয়োজনীয় দলিলাদি কর্তৃপক্ষের নিকট উপস্থাপন করা।
কোম্পানী আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হইলে যে ক্ষেত্রে কোম্পানী আইন অথবা তদ্দ্বারা রহিতকৃত কোন আইনের অধীন কোম্পানীরূপে নিগমিত কোন বীমাকারী ধারা ৩২ এর বিধান অনুযায়ী কোন বৎসরে তাহার স্থিতিপত্র ও হিসাবাদি দাখিল করে, সেই ক্ষেত্রে বীমাকারী একই সময়ে উক্ত স্থিতিপত্র ও হিসাবাদির অনুলিপি কোম্পানীসমূহের রেজিস্ট্রার-এর নিকট প্রেরণ করিবে এবং অনুরূপ অনুলিপি পাঠানো হইয়া থাকিলে কোম্পানী আইনের প্রয়োজনীয়তা অনুসারে তাহার স্থিতিপত্র ও হিসাবাদির অনুলিপি রেজিস্ট্রারের নিকট দাখিল করা আবশ্যক হইবে না এবং ইতিপূর্বে প্রেরিত অনুরূপ অনুলিপিসমূহের জন্য একই হারে ফি ধার্যযোগ্য হইবে এবং সকল বিষয়ে এইরূপ কার্যক্রম গৃহীত হইবে যেন উক্ত স্থিতিপত্র ও হিসাবাদি উপরি-উক্ত ধারা অনুযায়ী দাখিল করা হইয়াছে।
বীমা ব্যবসা কার্যক্রম সম্পর্কে প্রত্যেক বীমাকারী প্রতিবেদনের প্রত্যায়িত অনুলিপি উহার শেয়ার গ্রহীতা কিংবা পলিসি গ্রহীতাদের নিকট পেশ করার অব্যবহিত পরেই কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিবে৷
প্রত্যেক বীমাকারী তাহার কার্যবিবরণী বহিতে লিপিবদ্ধ বার্ষিক সাধারণ সভার কার্যবিবরণীর প্রত্যায়িত অনুলিপি সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিবে৷
(ক) উক্তরুপ রিটার্ন সংশোধন কিংবা সম্পূরক করার জন্য নিরীক্ষক বা একচ্যুয়ারি কর্তৃক যাহা প্রয়োজনীয় বিবেচিত হয়, প্রত্যায়িত অতিরিক্ত তথ্য প্রেরণ করার জন্য বীমাকারীকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে;
(খ) বাংলাদেশে বীমাকারীর ব্যবসার প্রধান স্থানে তাহার হিসাবের কোন বহি, রেজিস্টার বা অন্যান্য দলিল নিরীক্ষার জন্য দাখিল করিতে অথবা এই উদ্দেশ্যে বীমাকারীকে প্রদত্ত নোটিশে বর্ণিত বিবরণী সরবরাহ করিতে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে ;
(গ) রিটার্ন সম্পর্কে বীমাকারীর কোন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবে ;
(ঘ) ত্রুটিপূর্ণ তথ্য সংশোধন কিংবা রিটার্নে অসম্পূর্ণতা দূরীকরণের জন্য বীমাকারীকে চাহিদাপত্র প্রদানের তারিখের পর ১ (এক) মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পূর্বে তথ্যের ত্রুটি সংশোধন বা অসম্পূর্ণতা পূরণ করা না হইলে ঐরূপ রিটার্ন গ্রহণে অস্বীকৃতি জানাইতে পারে৷
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ অনুসন্ধানে ও মূল্যায়নের প্রণীত প্রতিবেদন ও সার-সংক্ষেপ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত তারিখের মধ্যে উহার বরাবরে দাখিল করিতে হইবে৷
কোন বীমাকারী -
(ক) কোন ইস্যু করা পলিসি বা ইস্যু করিতে হইবে এমন কোন পলিসি বা তাহাতে প্রতিশ্রুত কোন সুবিধা বা বোনাস, শেয়ার গ্রহীতাদের লভ্যাংশ কিংবা উহার উপর উদ্বৃত্তের প্রাপ্তি সম্পর্কে পলিসির শর্ত অপব্যাখ্যা সম্বলিত কোন প্রাক্কলন, উদাহরণ, পরিপত্র বা বিবৃতি প্রদান করিবে না বা করাইবে না অথবা পূর্বে অনুরূপ পলিসিতে প্রদত্ত বোনাস, শেয়ার গ্রহীতাদের লভ্যাংশ বা উদ্বৃত্তের অংশ সম্পর্কে মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রদান করিবে না, অথবা বীমাকারীর আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে কোনরূপ বিভ্রান্তিকর বা ত্রুটিপূর্ণ বিবরণী প্রকাশ করিবে না অথবা কোন পলিসি বা কোন শ্রেণীর পলিসির প্রকৃত প্রকৃতি বিভ্রান্ত করার লক্ষ্যে কোন বীমাকারীর নাম বা পদ নাম বা কোন বীমা পলিসির বা কোন শ্রেণীর বীমা পলিসির নাম বা পদ নাম ব্যবহার করিবে না অথবা কোন কোম্পানীর বীমা গ্রহীতাকে এইরূপ পলিসি বাতিল, বাজেয়াপ্ত কিংবা সমর্পণে প্ররোচিত বা প্ররোচনার উপক্রম হইতে পারে এইরূপ বিভ্রান্তিকর বিবরণ প্রদান করিবে না ; এবং
(খ) বীমা ব্যবসায় নিয়োজিত কোন ব্যক্তি সম্পর্কে মিথ্যা,অসত্য, প্রতারণামূলক, বিভ্রান্তিকর অথবা বীমা ব্যবসায় নিয়োজিত যে কোন ব্যক্তির ব্যবসা পরিচালনায় ক্ষতিকর কোন বিজ্ঞাপন, ঘোষণা বা বিবরণ তৈরী, প্রকাশ, বিতরণ,প্রচার, জনসমক্ষে উত্থাপন অথবা সরাসরি সংবাদপত্র. ম্যাগাজিন বা অন্য প্রকাশনায় বা বিজ্ঞপ্তি, পরিপত্র, প্রচারপত্র, পোস্টার বা অন্য কোন প্রকারে প্রচার বা প্রচারের ব্যবস্থা করিবে নাঃ
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারার কোন কিছুই বীমাকারীকে প্রচারের উদ্দেশ্যে কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিলকৃত রিটার্নের ফরম প্রকাশ অথবা দাখিলকৃত উক্ত রিটার্নসমূহের সত্য এবং নির্ভুল সার-সংক্ষেপ অথবা অন্য কোন তথ্যভিত্তিক বিবরণ প্রকাশ করা হইতে নিবৃত্ত করিবে না৷
তবে শর্ত থাকে যে, কোন বীমাকারীর কোন পরিচালক বা অনুরূপ পরিচালকের পরিবারের সদস্যের স্বত্বাধিকারী, অংশীদার, পরিচালক, ব্যবস্থাপক বা ব্যবস্থাপনা এজেন্ট হিসাবে কোন স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোন কোম্পানী, ফার্ম বা অন্য কোন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের প্রথম মূলধন ইস্যুতে বিনিয়োগ অনুমোদিত হইবে না।
(ক) বীমাকারী কর্তৃক কর্মকর্তা, কর্মচারী, বীমা এজেন্ট বা ব্রোকার বা এজেন্ট নিয়োগকারীর নামে ইস্যুকৃত লাইফ ইন্স্যুরেন্স পলিসির উপর সমর্পণমূল্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ ঋণ ;
(খ) স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকের উপর ঋণ, এই শর্তে যে-
(অ) বীমাকারী যদি লাইফ ইন্স্যুরেন্স ব্যবসা পরিচালনা করে সেই ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ এই মর্মে প্রত্যায়ন করে যে, উহা এই আইনের সকল বিধান পরিপালন করিয়াছে;
(আ) সম্পত্তির মূল্য ন্যূনতম ঋণের পরিমাণের দ্বিগুণ হয়;
(ই) সম্পত্তি এই উদ্দেশ্যে বিজ্ঞাপিত অনুরূপ শহরে অবস্থিত হয়;
(ঈ) ঋণ যদি গৃহনির্মাণের উদ্দেশ্যে হয় তাহা হইলে বীমাকারীর পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তক্রমে কিস্তিতে ঋণ প্রদান করা হয়;
(উ) ঋণ সর্বোচ্চ ১৫ (পনের) বৎসর সময়কালের মধ্যে পরিশোধের শর্ত রাখা হয়; বা
(ঊ) ঋণের পরিমাণ এমন হয় যাহাতে উহার সুদ ও আসলের কিস্তি কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বৎসরে তাহার মূল বেতনের এক-চতুর্থাংশ অথবা, ক্ষেত্রমত, এজেন্ট, ব্রোকার বা এজেন্ট নিয়োগকারীর নবায়ন কমিশন বা অতিরিক্ত কমিশনের এক চতুর্থাংশ অতিক্রম না করে;
(গ) কোন কর্মকর্তা, কর্মচারী, বীমা এজেন্ট বা এজেন্ট নিয়োগকারীকে যানবাহন ক্রয়ের নিমিত্ত ঋণ, এই শর্তে যে -
(অ) কর্মকর্তা, কর্মচারী, বীমা এজেন্ট বা এজেন্ট নিয়োগকারী বীমাকারীর পরিচালনা পর্ষদ কর্তৃক নির্ধারিত অনুরূপ সময়কাল ধারাবাহিকভাবে বীমাকারীর অধীন কাজ সম্পন্ন করিয়াছেন;
(আ) ক্রয়কৃত যানবাহন বীমাকারীর নিকট বন্ধক করা হইয়া থাকে;
(ই) ঋণ বীমাকারীর পরিচালনা পর্ষদ কর্তৃক নির্ধারিত অনুরূপ পরিমাণ অতিরিক্ত বা পরিশোধের সময়সূচীসহ অন্যান্য শর্তাবলী অনুযায়ী হয়ঃ
তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ- ধারার দফা (খ) এর উপ-দফা (ঈ) এবং দফা (গ) এর অধীন সর্বমোট ঋণের পরিমাণ নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স সংক্রান্ত বীমাকারীর ক্ষেত্রে উহার আয়কর পরিশোধের পর পূর্ববর্তী বৎসরের নীট মুনাফার ১০ (দশ) শতাংশের অধিক হইবে না;
আরো শর্ত থাকে যে, প্রথম শর্তাংশে উল্লিখিত ১০ শতাংশ ঋণের পরিমাণ কোনক্রমেই বীমাকারীর পরিশোধিত মূলধনের ২০ শতাংশের অধিক হইবে না;
(ঘ) কোন কর্মকর্তা, কর্মচারী, বীমা এজেন্ট বা বীমা এজেন্ট নিয়োগকারীকে সাময়িক অগ্রিম প্রদানের ক্ষেত্রে -
(অ) কর্মকর্তা বা কর্মচারীর ক্ষেত্রে, অনধিক ৪ (চার) মাসের বেতনের সমপরিমাণ;
(আ) বীমা এজেন্টের ক্ষেত্রে অগ্রিমের জন্য আবেদন করার তারিখে অবস্থিত পূর্ববর্তী ২ (দুই) বৎসরে তাহার অর্জিত নবায়ন কমিশন এবং কমিশন অর্জন না থাকিলে নির্ধারিত পরিমাণ অতিক্রম না হয় এমন অংক;
(ই) এজেন্ট নিয়োগকারীর ক্ষেত্রে, অগ্রিমের জন্য আবেদন করার তারিখের অব্যবহিত পূর্ববর্তী বৎসর তাহার অর্জিত নবায়ন কমিশন ও ওভার-রাইডিং নবায়ন কমিশন অথবা উক্ত নবায়ন কমিশন ও ওভার রাইডিং নবায়ন কমিশন অর্জন না করিয়া থাকিলে নির্ধারিত পরিমাণ থেকে কম নয় এমন অর্থঃ
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফায় উল্লিখিত সাময়িক অগ্রিম কোন সময়ে লাইফ ইন্স্যুরেন্স ব্যবসা পরিচালনা সংক্রান্ত বীমাকারীর লাইফ ইন্স্যুরেন্স তহবিলের নির্ধারিত শতকরা হার এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে নির্ধারিত সর্বোচ্চ অংক অতিক্রম করিবে না৷
ধারা ৪৪ এর কোন বিধান লংঘনের কারণে বীমাকারী কিংবা পলিসি গ্রহীতাদের কোন ক্ষতি সাধিত হইলে ঐরূপ লংঘনের সংগে জ্ঞাতসারে জড়িত কোন পরিচালক, ব্যবস্থাপক বা কর্মকর্তা, এই আইনের অধীন প্রযোজ্য অন্য কোন জরিমানা আরোপের বিধান ক্ষুন্ন না করিয়া, পৃথক বা যৌথভাবে উক্ত ক্ষতিপূরণের জন্য দায়ী হইবেন৷
ধারা ২৩ অথবা ধারা ১১৯ এর অধীন বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত জামানত এবং তফসিলী ব্যাংকের কোন জিম্মায় রক্ষিত জমা ব্যতীত বীমাকারীর কোন সম্পদ কোন সংস্থার নামে এবং বীমাকারীর প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ব্যতীত অন্য কোন প্রকারে রাখা যাইবে না৷
কোন বীমাকারী এই আইন প্রবর্তনের পর তাহার ব্যবসা পরিচালনার্থে ম্যানেজিং এজেন্ট নিয়োগ করিবে না৷
(ক) বীমাকারী উহার দায় পরিশোধে অক্ষম বা তাহার অক্ষম হওয়ার সম্ভাবনা রহিয়াছে ;
(খ) বীমাকারী বীমা তহবিল সংক্রান্ত এই আইনের কোন বিধান পরিপালনে ব্যর্থ হইয়াছে;
(গ) বীমাকারী ধারা ৪৯ এর অধীন প্রদত্ত নোটিশ প্রাপ্তির ১ (এক) মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী সম্পূর্ণরূপে ও সন্তোষজনকভাবে দাখিল না করে ;
(ঘ) বীমাকারী ধারা ২৭, ৩০, ৪১, ৪৩, এবং ৪৪ এর কোন বিধান পরিপালনে ব্যর্থ হয়;
(ঙ) বীমাকারীর বীমা ব্যবসার ব্যয় বা উহার কোন শ্রেণীর বীমা ব্যবসা আহরণ, রক্ষণ বা পরিচালনার ব্যয় তাহার বীমা প্রিমিয়াম আয়ের তুলনায় অযৌক্তিকভাবে অধিক হয় ;
(চ) বীমাকারী কর্তৃক বীমা তহবিল ও অন্যান্য তহবিলের মধ্যে ব্যয় বা বিশেষ কোন শ্রেণীর ব্যয় বন্টনে যথাযথ পদ্ধতি অবলম্বন করা হয় নাই ; বা
(ছ) কর্তৃপক্ষের নিকট থাকা এমন কোন তথ্যের প্রেক্ষিতে অনুরূপ তদন্ত আবশ্যক হয়৷
ব্যাখ্যা৷- এই ধারার উদ্দেশ্যে সম্পদ বলিতে নিম্নবর্ণিত সম্পদসমূহ অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু ইহাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় -
(ক) স্থাবর সম্পত্তি, যথাঃ যে কোন জমি, দালান ও উহাতে দৃঢ় সংলগ্ন বস্তু ;
(খ) অস্থাবর সম্পত্তি, যথাঃ যে কোন আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি, বই, সাময়িকী এবং অন্য যে কোন স্থানান্তরযোগ্য বস্তু, যে কোন মোটর যান, নৌ-যান, জাহাজ, উড়োজাহাজ এবং অন্য যে কোন আকৃতির যান;
(গ) বিনিয়োগ, যথাঃ রাষ্ট্রীয় বা স্থানীয় সরকারের যে কোন সিকিউরিটিজ অথবা সরকার বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত অন্য যে কোন সিকিউরিটিজ৷
(ঘ) অন্যান্য বিনিয়োগ, যথাঃ স্টক এক্সচেঞ্জে মূল্য উদ্ধৃত হয় এইরূপ স্টক, শেয়ার, বন্ড, ডিবেঞ্চার, মিউচ্যুয়াল ফান্ড অথবা মূল্য উদ্ধৃত হয় না এইরূপ বিনিয়োগ;
(ঙ) নগদ, যথাঃ নির্ণয়যোগ্য অংকের নগদ অর্থসহ ব্যাংক বা ঋণ প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানে বা অন্য কোন সংস্থায় বা এজেন্সিতে জমাকৃত অর্থ;
(চ) অন্যান্য সম্পদ, যথা: যে কোন বকেয়া প্রিমিয়াম, কমিশন ও পাওনাকৃত বা পরিশোধযোগ্য ঋণ, অগ্রিম, সিকিউরিটিজ, ডিপোজিট ও জামানত এবং বীমাকারীর অনুকূলে বা তাহার উপর অর্পিত চুক্তিজনিত বা প্রাপ্য স্বত্ত্বসমূহ।
(ক) বীমাকারী বা বীমাকারীর পক্ষে উহার দায়িত্বে নিয়োজিত যে কোন ব্যক্তিকে;
(খ) বীমাকারীর বিদ্যমান কোন পরিচালক বা কোন সময়ে পরিচালক ছিলেন বা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করিয়াছেন এইরূপ ব্যক্তি, একচ্যুয়ারি, নিরীক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী বা এজেন্টকে; বা
(গ) বীমাকারীর অতীত বা বর্তমান কোন অংশগ্রহণকারীকে,
বাংলাদেশে বা বাংলাদেশের বাহিরে রক্ষিত কোন বই, হিসাব, নথি বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দলিলাদি, কোন সম্পদে বীমাকারীর স্বত্ব প্রমাণ সম্বলিত দলিলাদিসহ, উপস্থাপন বা উহা ব্যবহার বা পূর্ণ বা আংশিক অনুলিপি প্রস্তুতকরণ নিশ্চিত করিতে নির্দেশনা প্রদান করিতে পারিবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারার বিধানাবলী কেবলমাত্র বীমাকারী কর্তৃক বাংলাদেশে পরিচালিত ব্যবসা সংক্রান্ত বা অনুরূপ ব্যবসা সংশ্লিষ্ট বীমাকারীর স্বত্ব প্রমাণক দলিলাদির জন্য প্রযোজ্য হইবে৷
(ক) প্রতিবেদনে উল্লিখিত কোন বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বীমাকারীকে নির্দেশনা প্রদান করিবে ; বা
(খ) বীমাকারীর নিবন্ধন বাতিল করিবে; বা
(গ) দফা (খ) অনুযায়ী নিবন্ধন বাতিল করা হইয়া থাকুক বা না করা হইয়া থাকুক, কোন ব্যক্তিকে বীমাকারীর অবসায়নের জন্য আদালতে আবেদন করিতে নির্দেশ প্রদান করিবে৷
(ক) যে কোন তথ্য প্রদান করিতে , বা
(খ) তাহার সম্মূখে উপস্থিত হইতে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে৷
(ক) বীমাকারীর বীমা ব্যবসা এই আইনের বিধান অনুযায়ী পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় কোন ব্যবস্থা গ্রহণ বা ব্যবস্থাপনায় ঐরূপ যোগ্য লোকবল নিয়োগ করা;
(খ) কর্তৃপক্ষের নিকট যদি এইরূপ বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, চেয়ারম্যান, কোন পরিচালক, উপদেষ্টা, মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, যে নামেই অভিহিত হউক না কেন, তাহার পদে অধিষ্ঠিত থাকায় কোন আইনের বিধান লংঘিত হইয়াছে এবং অনুরূপ লংঘন এমন প্রকৃতির যে, বীমাকারীর সহিত তাহাদের জড়িত থাকা বীমাকারীর বা বীমা পলিসি গ্রাহকের স্বার্থে ক্ষতিকর বা স্বার্থের পরিপন্থী বা ক্ষতিকর হইতে পারে অথবা অন্য কোনভাবে অবাঞ্ছিত হয়, তবে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া তাহাদিগকে নিজ নিজ পদ হইতে অপসারণ করাঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যদি কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় কোন বিলম্ব বীমাকারী বা উহার বীমা পলিসি গ্রাহকের জন্য ক্ষতিকারক হইবে তবে, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদানকালে অথবা পরবর্তী যে কোন সময় উল্লিখিত আত্মপক্ষ সমর্থনের আবেদন, যদি তাহা করা হইয়া থাকে, বিবেচনাধীন থাকাকালে কর্তৃপক্ষ এইরূপ আদেশ প্রদান করিতে পারিবে যে, সংশ্লিষ্ট পরিচালক মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, যাহা প্রযোজ্য, অনুরূপ আদেশের তারিখ হইতে -
(অ) বীমাকারী অনুরূপ পরিচালক বা মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে কাজ করিতে পারিবেন না ;
(আ) প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ বীমাকারী ব্যবস্থাপনার সহিত সম্পৃক্ত থাকিবেন না বা উহাতে অংশ গ্রহণ করিবেন না৷
(গ) বীমাকারী সম্পদ নিষ্পত্তিতে বা পুনরুদ্ধারে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন না ;
(ঘ) বেআইনী বা অন্যায়ভাবে পরিশোধ করা হইয়াছে মর্মে কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতীয়মান ঐরূপ কোন অর্থ বীমাকারী কর্তৃক পুনরুদ্ধারের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন না;
(ঙ) আদেশে উল্লিখিত বীমা শ্রেণীর ব্যবসা সংক্রান্ত নতুন পলিসি জারী বা পলিসি নবায়ন করা হইতে বিরত থাকিবেন৷